আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ডমেস্টিক থ্রির (ডি থ্রি) যাত্রা। আসরকে সামনে রেখে ২৬ অক্টোবর শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে খেলোয়াড়দের নিলাম। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের ২৮১ জন ক্রিকেটার। সেখান থেকেই পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে দল সাজাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
শরিফুলের দাম ২ কোটি ৩০ লাখ, ছাড়ালেন তাসকিনকে
জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত মুখ তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। সাম্প্রতিক সময়েও বল হাতে ভালো ছন্দে রয়েছেন দুজন। নিলামের শুরুতে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে দলে নেয় ওয়ালটন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই রেকর্ড ভেঙে দেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসারকে ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে কিনেছে সিটিজেন ব্যাংক।
খালেদের জন্য সিটিজেন ব্যাংকের খরচ দেড় কোটি
জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন খালেদ আহমেদ। সম্প্রতি কাউন্টি ক্রিকেটেও খেলেছেন এই ডানহাতি পেসার। নিলামে তাকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক দল। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে খালেদকে কিনেছে সিটিজেন ব্যাংক।
বিজয়ের দাম থাকল ৯০ লাখে
ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ব্যাটারদের একজন এনামুল হক বিজয়। নিয়মিত রান পেলেও নিলামে প্রত্যাশিত দাম পাননি এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মাত্র ৯০ লাখ পয়েন্টে বিজয়কে দলে ভিড়িয়েছে এইস ব্লুস্টার।
১ কোটি ৮০ লাখে জাকের আলী
ফর্মের কারণে একসময় জাতীয় দল থেকে ছিটকে গেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও ফিরেছেন জাকের আলী। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় নিলামেও ভালো মূল্য পেয়েছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। ১ কোটি ৮০ লাখ পয়েন্ট খরচ করে তাকে দলে নিয়েছে সিটিজেন ব্যাংক।
তাসকিনকে পেতে ২ কোটি ১০ লাখ
বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা তাসকিন আহমেদ। তিন ফরম্যাটেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন এই ডানহাতি পেসার। তাকে দলে নিতে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে দলে ভেড়ায় ওয়ালটন।
বাংলাদেশের অধিনায়কের দাম দেড় কোটি
বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ককে দলে পেতেও আগ্রহ দেখিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে তাকে দলে নিয়েছে ওয়ালটন।
চোটের কারণে কম দাম নাহিদের, মুমিনুল ওয়ালটনে
সাম্প্রতিক সময়ে চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন নাহিদ রানা। কবে নাগাদ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরতে পারবেন, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে নিলামে তাকে নিয়ে খুব বেশি প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ৭০ লাখ পয়েন্টে নাহিদকে দলে নিয়েছে এইস ব্লুস্টার। অন্যদিকে, ৮০ লাখ পয়েন্টে ওয়ালটনে নাম লিখিয়েছেন মুমিনুল হক।
হাসান মাহমুদের জন্য ১ কোটি ৯৫ লাখ
টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডেতেও নিয়মিত পারফর্ম করছেন হাসান মাহমুদ। বল হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এই ডানহাতি পেসারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্ট খরচ করে হাসানকে দলে নিয়েছে এইস ব্লুস্টার।
সাইফ হাসানকে পেতে প্রায় দুই কোটি
জাতীয় দলের ওপেনার সাইফ হাসানকে দলে নেওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকে সেভেন রিংস সিমেন্ট। তাকে পেতে দলটির খরচ হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্ট। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলবেন নাইম শেখও।
তানজিদকে নিয়ে নিলামে তুমুল লড়াই, ভাঙলেন শান্তর রেকর্ড
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। জাতীয় দলের হয়ে তার পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে। ফলে নিলামে এই বাঁহাতি ওপেনারকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত ২ কোটি পয়েন্টে তানজিদকে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ। এর মধ্য দিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর ১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্টের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
৭০ লাখে মুস্তাফিজ, খেলবেন মুশফিকের দলে
জাতীয় দলের ব্যস্ততার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও খেলতে দেখা যাবে মুস্তাফিজুর রহমানকে। নিলামে ৭০ লাখ পয়েন্টে এই বাঁহাতি পেসারকে দলে নিয়েছে সেভেন রিংস সিমেন্ট। দলটিতে রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও।
শান্তকে পেতে ১ কোটি ৫৫ লাখ
বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও নিলামে পেয়েছেন উল্লেখযোগ্য মূল্য। টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটেও নিয়মিত পারফর্ম করছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ডি থ্রিতে তাকে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ। শান্তর জন্য দলটির খরচ হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্ট। তানজিদ হাসান তামিমের ২ কোটি পয়েন্টের আগে পর্যন্ত তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটারদের একজন।
তাইজুলকে পেতে লড়াই, শেষ হাসি সেভেন রিংসের
বাংলাদেশের টেস্ট দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তাকে দলে নিতে ওয়ালটন ও সেভেন রিংস সিমেন্টের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত ৮০ লাখ পয়েন্টে তাইজুলকে দলে নেয় সেভেন রিংস সিমেন্ট।
৭৫ লাখে সৌম্য সরকার
সাম্প্রতিক ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি সৌম্য সরকার। তবে ডি থ্রির নিলামে এই বাঁহাতি ওপেনারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় ওয়ালটন ও ফরচুন গ্রুপ। শেষ পর্যন্ত ৭৫ লাখ পয়েন্টে সৌম্যকে দলে নিয়েছে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি।
টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না রিশাদ, তবু পেলেন দল
ডি থ্রির টি-টোয়েন্টি পর্বে খেলতে পারবেন না রিশাদ হোসেন। ওই সময়ে বিগ ব্যাশে ব্যস্ত থাকার কথা এই লেগ স্পিনারের। তারপরও তাকে স্কোয়াডে রেখেছে ফরচুন গ্রুপ। রিশাদকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির খরচ হয়েছে ৬০ লাখ পয়েন্ট।
১ কোটি ৫০ লাখে শেখ মেহেদী
ডি থ্রির প্রথম আসরের নিলামে সবার আগে তোলা হয় শেখ মেহেদীর নাম। এই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। একমি ও ফরচুনের পাশাপাশি শেষ দিকে লড়াইয়ে যোগ দেয় এইস ব্লুস্টার ও সিটিজেন ব্যাংক। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে মেহেদীকে দলে নেয় এইস ব্লুস্টার।
ছয় দলের স্কোয়াড
ফরচুন গ্রুপ: তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম।
ওয়ালটন: মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ।
এইস ব্লুস্টার: নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, এনামুল হক বিজয়।
সেভেন রিংস সিমেন্ট: মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
একমি গ্রুপ: মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
সিটিজেন ব্যাংক: নাইম শেখ, সাইফ হাসান, জাকের আলী, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে ডমেস্টিক থ্রির (ডি থ্রি) যাত্রা। আসরকে সামনে রেখে ২৬ অক্টোবর শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে খেলোয়াড়দের নিলাম। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের ২৮১ জন ক্রিকেটার। সেখান থেকেই পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে দল সাজাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
শরিফুলের দাম ২ কোটি ৩০ লাখ, ছাড়ালেন তাসকিনকে
জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত মুখ তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। সাম্প্রতিক সময়েও বল হাতে ভালো ছন্দে রয়েছেন দুজন। নিলামের শুরুতে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে দলে নেয় ওয়ালটন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই রেকর্ড ভেঙে দেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসারকে ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে কিনেছে সিটিজেন ব্যাংক।
খালেদের জন্য সিটিজেন ব্যাংকের খরচ দেড় কোটি
জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন খালেদ আহমেদ। সম্প্রতি কাউন্টি ক্রিকেটেও খেলেছেন এই ডানহাতি পেসার। নিলামে তাকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক দল। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে খালেদকে কিনেছে সিটিজেন ব্যাংক।
বিজয়ের দাম থাকল ৯০ লাখে
ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ব্যাটারদের একজন এনামুল হক বিজয়। নিয়মিত রান পেলেও নিলামে প্রত্যাশিত দাম পাননি এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মাত্র ৯০ লাখ পয়েন্টে বিজয়কে দলে ভিড়িয়েছে এইস ব্লুস্টার।
১ কোটি ৮০ লাখে জাকের আলী
ফর্মের কারণে একসময় জাতীয় দল থেকে ছিটকে গেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও ফিরেছেন জাকের আলী। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় নিলামেও ভালো মূল্য পেয়েছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। ১ কোটি ৮০ লাখ পয়েন্ট খরচ করে তাকে দলে নিয়েছে সিটিজেন ব্যাংক।
তাসকিনকে পেতে ২ কোটি ১০ লাখ
বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা তাসকিন আহমেদ। তিন ফরম্যাটেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন এই ডানহাতি পেসার। তাকে দলে নিতে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে দলে ভেড়ায় ওয়ালটন।
বাংলাদেশের অধিনায়কের দাম দেড় কোটি
বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ককে দলে পেতেও আগ্রহ দেখিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে তাকে দলে নিয়েছে ওয়ালটন।
চোটের কারণে কম দাম নাহিদের, মুমিনুল ওয়ালটনে
সাম্প্রতিক সময়ে চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন নাহিদ রানা। কবে নাগাদ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরতে পারবেন, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে নিলামে তাকে নিয়ে খুব বেশি প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ৭০ লাখ পয়েন্টে নাহিদকে দলে নিয়েছে এইস ব্লুস্টার। অন্যদিকে, ৮০ লাখ পয়েন্টে ওয়ালটনে নাম লিখিয়েছেন মুমিনুল হক।
হাসান মাহমুদের জন্য ১ কোটি ৯৫ লাখ
টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডেতেও নিয়মিত পারফর্ম করছেন হাসান মাহমুদ। বল হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এই ডানহাতি পেসারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্ট খরচ করে হাসানকে দলে নিয়েছে এইস ব্লুস্টার।
সাইফ হাসানকে পেতে প্রায় দুই কোটি
জাতীয় দলের ওপেনার সাইফ হাসানকে দলে নেওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকে সেভেন রিংস সিমেন্ট। তাকে পেতে দলটির খরচ হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্ট। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলবেন নাইম শেখও।
তানজিদকে নিয়ে নিলামে তুমুল লড়াই, ভাঙলেন শান্তর রেকর্ড
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। জাতীয় দলের হয়ে তার পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে। ফলে নিলামে এই বাঁহাতি ওপেনারকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত ২ কোটি পয়েন্টে তানজিদকে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ। এর মধ্য দিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর ১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্টের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
৭০ লাখে মুস্তাফিজ, খেলবেন মুশফিকের দলে
জাতীয় দলের ব্যস্ততার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও খেলতে দেখা যাবে মুস্তাফিজুর রহমানকে। নিলামে ৭০ লাখ পয়েন্টে এই বাঁহাতি পেসারকে দলে নিয়েছে সেভেন রিংস সিমেন্ট। দলটিতে রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও।
শান্তকে পেতে ১ কোটি ৫৫ লাখ
বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও নিলামে পেয়েছেন উল্লেখযোগ্য মূল্য। টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটেও নিয়মিত পারফর্ম করছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ডি থ্রিতে তাকে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ। শান্তর জন্য দলটির খরচ হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্ট। তানজিদ হাসান তামিমের ২ কোটি পয়েন্টের আগে পর্যন্ত তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটারদের একজন।
তাইজুলকে পেতে লড়াই, শেষ হাসি সেভেন রিংসের
বাংলাদেশের টেস্ট দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তাকে দলে নিতে ওয়ালটন ও সেভেন রিংস সিমেন্টের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত ৮০ লাখ পয়েন্টে তাইজুলকে দলে নেয় সেভেন রিংস সিমেন্ট।
৭৫ লাখে সৌম্য সরকার
সাম্প্রতিক ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি সৌম্য সরকার। তবে ডি থ্রির নিলামে এই বাঁহাতি ওপেনারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় ওয়ালটন ও ফরচুন গ্রুপ। শেষ পর্যন্ত ৭৫ লাখ পয়েন্টে সৌম্যকে দলে নিয়েছে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি।
টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না রিশাদ, তবু পেলেন দল
ডি থ্রির টি-টোয়েন্টি পর্বে খেলতে পারবেন না রিশাদ হোসেন। ওই সময়ে বিগ ব্যাশে ব্যস্ত থাকার কথা এই লেগ স্পিনারের। তারপরও তাকে স্কোয়াডে রেখেছে ফরচুন গ্রুপ। রিশাদকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির খরচ হয়েছে ৬০ লাখ পয়েন্ট।
১ কোটি ৫০ লাখে শেখ মেহেদী
ডি থ্রির প্রথম আসরের নিলামে সবার আগে তোলা হয় শেখ মেহেদীর নাম। এই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডারকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। একমি ও ফরচুনের পাশাপাশি শেষ দিকে লড়াইয়ে যোগ দেয় এইস ব্লুস্টার ও সিটিজেন ব্যাংক। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্টে মেহেদীকে দলে নেয় এইস ব্লুস্টার।
ছয় দলের স্কোয়াড
ফরচুন গ্রুপ: তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম।
ওয়ালটন: মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ।
এইস ব্লুস্টার: নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, এনামুল হক বিজয়।
সেভেন রিংস সিমেন্ট: মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
একমি গ্রুপ: মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
সিটিজেন ব্যাংক: নাইম শেখ, সাইফ হাসান, জাকের আলী, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।

মতামত