মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। দিনের শুরুতে সেঞ্চুরি তুলে নিলেও দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি সাদমান ইসলাম। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে মাত্র ২৭২ রানেই থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ ৭ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ওভারেই সেঞ্চুরির অপেক্ষা ফুরান সাদমান ইসলাম। জশুয়া বিশপের করা ওভারের দ্বিতীয় বলে দুই রান নিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান এই ওপেনার। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি তিনি। ২৩৪ বলে ১০৫ রান করে দলীয় ২২১ রানে সাজঘরে ফেরেন সাদমান।
এরপর দ্রুতই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আগের দিন রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হওয়া তাওহীদ হৃদয় ফিরে এসে সাদমানের সঙ্গে বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি। মাত্র দুই বল মোকাবিলা করেই বিদায় নেন তিনি। ৮৬ বলে ৪২ রান করা এই ব্যাটার অল্পের জন্য ফিফটি হাতছাড়া করেন।
পরপর দুই উইকেট হারানোর পর দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের ব্যাটে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সেই জুটি বেশিদূর এগোয়নি। ৩৯ বলে ১৫ রান করে জোমেল ওয়ারিকানের শিকার হন মিরাজ।
এক প্রান্তে লিটন দাস লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্য প্রান্তে সতীর্থদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। নাঈম হাসান ১২ বলে ৫ রান করে ফিরে যান। এরপর হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১১ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত উইকেটে টিকে থেকে দলের সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করেন লিটন। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় বড় ইনিংস গড়ার সুযোগ পাননি এই ব্যাটার। ৮৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেটের পতনে ২৭২ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল জোমেল ওয়ারিকান। তিনি শিকার করেন ৫ উইকেট। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট পান জেডন সিলস।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। দিনের শুরুতে সেঞ্চুরি তুলে নিলেও দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেননি সাদমান ইসলাম। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে মাত্র ২৭২ রানেই থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ ৭ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ওভারেই সেঞ্চুরির অপেক্ষা ফুরান সাদমান ইসলাম। জশুয়া বিশপের করা ওভারের দ্বিতীয় বলে দুই রান নিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান এই ওপেনার। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি তিনি। ২৩৪ বলে ১০৫ রান করে দলীয় ২২১ রানে সাজঘরে ফেরেন সাদমান।
এরপর দ্রুতই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আগের দিন রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হওয়া তাওহীদ হৃদয় ফিরে এসে সাদমানের সঙ্গে বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি। মাত্র দুই বল মোকাবিলা করেই বিদায় নেন তিনি। ৮৬ বলে ৪২ রান করা এই ব্যাটার অল্পের জন্য ফিফটি হাতছাড়া করেন।
পরপর দুই উইকেট হারানোর পর দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের ব্যাটে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সেই জুটি বেশিদূর এগোয়নি। ৩৯ বলে ১৫ রান করে জোমেল ওয়ারিকানের শিকার হন মিরাজ।
এক প্রান্তে লিটন দাস লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্য প্রান্তে সতীর্থদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি। নাঈম হাসান ১২ বলে ৫ রান করে ফিরে যান। এরপর হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১১ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত উইকেটে টিকে থেকে দলের সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করেন লিটন। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় বড় ইনিংস গড়ার সুযোগ পাননি এই ব্যাটার। ৮৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেটের পতনে ২৭২ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল জোমেল ওয়ারিকান। তিনি শিকার করেন ৫ উইকেট। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট পান জেডন সিলস।

মতামত