দ্বিতীয় দিনের সকালে ৯৯ রান থেকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন সাদমান ইসলাম। আগের দিন সাবলীল ব্যাটিংয়ে চার-ছক্কা, সিঙ্গেল নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বল ছেড়ে দিয়ে নিজের ইনিংস গড়েছিলেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ওপেনার। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আনন্দ থাকলেও ইনিংসটি আরও বড় করতে না পারার আক্ষেপ রয়ে গেছে তার। দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভুলের কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন সাদমান।
প্রায় নয় মিনিটের সংবাদ সম্মেলনে বারবারই উঠে এসেছে বড় ইনিংস খেলতে না পারার প্রসঙ্গ। ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পেলেও দলকে আরও ভালো অবস্থানে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে দ্বিতীয় দিনের সকালে দ্রুত উইকেট হারানোকে বড় ভুল হিসেবে দেখছেন এই ওপেনার।
সাদমানের সেঞ্চুরিতে দিনের শুরুটা আনন্দময় হলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেই স্বস্তি। তিনি ফিরে যাওয়ার পর কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন তাওহীদ হৃদয়। একপ্রান্তে লিটন দাস টিকে থাকলেও অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানের বেশি সংগ্রহের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি। স্বাগতিকদের ইনিংস থেমেছে ২৭২ রানে।
সকালের ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে সাদমান বলেন, ‘অবশ্যই সকালবেলা আমাদের দ্রুত উইকেট পড়ে। আমি আর লিটন যখন ব্যাটিং করছিলাম, আমরা দুজনে বা আমি যদি কিছুক্ষণ খেলতে পারতাম, আরেকটু বড় করতে পারতাম, হয়তো চিত্রটা ভিন্ন হতো। ওইখানে একটা ভুল হয়ে গেছে।’
নিজেদের ব্যাটিংয়ের আরও উন্নতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এখানে আমাদের আরও ভালো করা উচিত ছিল। আমরা টপ অর্ডাররা যদি ১৫০, ১৭০ বা ২০০ করতে পারি, তাহলে হয়তো দলের রান ৪৫০-৫০০ হতো। আমাদের ভুল হয়ে গেছে। চেষ্টা থাকবে পরবর্তীতে আমাদের যখন এরকম পরিস্থিতি আসবে, তখন বড় করা যায়।’
ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও বল হাতে দিনের শেষ ভাগে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজদের বোলিংয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে সফরকারীদের সংগ্রহ ১৩৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
এ অবস্থায় প্রতিপক্ষকে দ্রুত অলআউট করে যতটা সম্ভব লিড বাড়িয়ে নেওয়াই বাংলাদেশের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সাদমান। তার ভাষায়, ‘অবশ্যই, যত লিড নেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য ভালো। কালকে যদি আমরা সকাল সকাল দ্রুত উইকেটটা বুঝতে পারি, ভালো বল করতে পারি, ইনশাআল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি অলআউট করে দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।’
বিষয় : সাদমান ইসলাম বাংলাদেশ ক্রিকেট

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
দ্বিতীয় দিনের সকালে ৯৯ রান থেকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন সাদমান ইসলাম। আগের দিন সাবলীল ব্যাটিংয়ে চার-ছক্কা, সিঙ্গেল নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বল ছেড়ে দিয়ে নিজের ইনিংস গড়েছিলেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ওপেনার। তবে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আনন্দ থাকলেও ইনিংসটি আরও বড় করতে না পারার আক্ষেপ রয়ে গেছে তার। দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভুলের কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন সাদমান।
প্রায় নয় মিনিটের সংবাদ সম্মেলনে বারবারই উঠে এসেছে বড় ইনিংস খেলতে না পারার প্রসঙ্গ। ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পেলেও দলকে আরও ভালো অবস্থানে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে দ্বিতীয় দিনের সকালে দ্রুত উইকেট হারানোকে বড় ভুল হিসেবে দেখছেন এই ওপেনার।
সাদমানের সেঞ্চুরিতে দিনের শুরুটা আনন্দময় হলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেই স্বস্তি। তিনি ফিরে যাওয়ার পর কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন তাওহীদ হৃদয়। একপ্রান্তে লিটন দাস টিকে থাকলেও অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানের বেশি সংগ্রহের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি। স্বাগতিকদের ইনিংস থেমেছে ২৭২ রানে।
সকালের ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে সাদমান বলেন, ‘অবশ্যই সকালবেলা আমাদের দ্রুত উইকেট পড়ে। আমি আর লিটন যখন ব্যাটিং করছিলাম, আমরা দুজনে বা আমি যদি কিছুক্ষণ খেলতে পারতাম, আরেকটু বড় করতে পারতাম, হয়তো চিত্রটা ভিন্ন হতো। ওইখানে একটা ভুল হয়ে গেছে।’
নিজেদের ব্যাটিংয়ের আরও উন্নতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এখানে আমাদের আরও ভালো করা উচিত ছিল। আমরা টপ অর্ডাররা যদি ১৫০, ১৭০ বা ২০০ করতে পারি, তাহলে হয়তো দলের রান ৪৫০-৫০০ হতো। আমাদের ভুল হয়ে গেছে। চেষ্টা থাকবে পরবর্তীতে আমাদের যখন এরকম পরিস্থিতি আসবে, তখন বড় করা যায়।’
ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও বল হাতে দিনের শেষ ভাগে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজদের বোলিংয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে সফরকারীদের সংগ্রহ ১৩৪ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।
এ অবস্থায় প্রতিপক্ষকে দ্রুত অলআউট করে যতটা সম্ভব লিড বাড়িয়ে নেওয়াই বাংলাদেশের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সাদমান। তার ভাষায়, ‘অবশ্যই, যত লিড নেওয়া যায় ততই আমাদের জন্য ভালো। কালকে যদি আমরা সকাল সকাল দ্রুত উইকেটটা বুঝতে পারি, ভালো বল করতে পারি, ইনশাআল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি অলআউট করে দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।’

মতামত