ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় পেলেই হবে না, ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে বড় ব্যবধানে জিততে হবে টাইগারদের। অন্যথায় জয় পেয়েও নেট রান রেটের মারপ্যাঁচে বিদায় নিতে হতে পারে বাংলাদেশকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। এই জয়ে টুর্নামেন্টে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে দলটি। আগামী ২১ অক্টোবর শারজাহতে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আফগানদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
পয়েন্ট তালিকায় বর্তমানে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ সমান ২। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে রয়েছে আফগানরা। এক ম্যাচে জয় পাওয়া তাদের নেট রান রেট ৩.১৬০। দুই ম্যাচে একটি জয় ও একটি হার নিয়ে জিম্বাবুয়ের নেট রান রেট -০.৫৯০। অন্যদিকে এক ম্যাচ খেলে পরাজিত হওয়া বাংলাদেশের পয়েন্ট শূন্য, নেট রান রেট -১.৯৮০।
ফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি নেট রান রেটেও তাদের ছাড়িয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। সে ক্ষেত্রে আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। আর রান তাড়া করতে নামলে লক্ষ্য ওভার শেষ হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে।
আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২০০ রানের লক্ষ্য দিলে ৪০.৩ ওভারের মধ্যে ম্যাচ জিততে হবে বাংলাদেশকে। লক্ষ্য ২৫০ রান হলে জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে। আর ৩০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হলে ৪২.২ ওভারের মধ্যেই জয় তুলে নিতে হবে টাইগারদের।
তবে শেষ বলে চার কিংবা ছক্কা মেরে স্কোর সমান করার পরিস্থিতি তৈরি হলে হিসাবের কিছুটা পরিবর্তন হবে। ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চার মেরে সমতা ফেরালে ৪১.১ ওভারের মধ্যে এবং ছক্কা মেরে সমতা আনলে ৪১.৪ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। ২৫০ রানের ক্ষেত্রে সময়সীমা হবে যথাক্রমে ৪২.১ ও ৪২.৩ ওভার। আর ৩০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চার ও ছক্কার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময় ৪২.৫ ও ৪৩.২ ওভার।
অন্যদিকে বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানের কাছে ৩৯ বা তার কম রানে হারে, তাহলে নেট রান রেটের হিসাবে ফাইনালে চলে যাবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। আবার বাংলাদেশ ২১৮ বা তার বেশি রানের ব্যবধানে জিতলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে আফগানরা। সেক্ষেত্রে ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। তবে ২১৬ রানের ব্যবধানে হারলেও ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা থাকবে আফগানিস্তানের।
অর্থাৎ বাংলাদেশের সামনে ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ বেশ কঠিন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় নয়, জয়ের ব্যবধান এবং রান তাড়ার গতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। আগামী ২৩ অক্টোবর শারজাহতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের ফাইনাল।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় পেলেই হবে না, ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে বড় ব্যবধানে জিততে হবে টাইগারদের। অন্যথায় জয় পেয়েও নেট রান রেটের মারপ্যাঁচে বিদায় নিতে হতে পারে বাংলাদেশকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। এই জয়ে টুর্নামেন্টে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে দলটি। আগামী ২১ অক্টোবর শারজাহতে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আফগানদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
পয়েন্ট তালিকায় বর্তমানে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ সমান ২। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে রয়েছে আফগানরা। এক ম্যাচে জয় পাওয়া তাদের নেট রান রেট ৩.১৬০। দুই ম্যাচে একটি জয় ও একটি হার নিয়ে জিম্বাবুয়ের নেট রান রেট -০.৫৯০। অন্যদিকে এক ম্যাচ খেলে পরাজিত হওয়া বাংলাদেশের পয়েন্ট শূন্য, নেট রান রেট -১.৯৮০।
ফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি নেট রান রেটেও তাদের ছাড়িয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। সে ক্ষেত্রে আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। আর রান তাড়া করতে নামলে লক্ষ্য ওভার শেষ হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে।
আফগানিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২০০ রানের লক্ষ্য দিলে ৪০.৩ ওভারের মধ্যে ম্যাচ জিততে হবে বাংলাদেশকে। লক্ষ্য ২৫০ রান হলে জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে। আর ৩০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হলে ৪২.২ ওভারের মধ্যেই জয় তুলে নিতে হবে টাইগারদের।
তবে শেষ বলে চার কিংবা ছক্কা মেরে স্কোর সমান করার পরিস্থিতি তৈরি হলে হিসাবের কিছুটা পরিবর্তন হবে। ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চার মেরে সমতা ফেরালে ৪১.১ ওভারের মধ্যে এবং ছক্কা মেরে সমতা আনলে ৪১.৪ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। ২৫০ রানের ক্ষেত্রে সময়সীমা হবে যথাক্রমে ৪২.১ ও ৪২.৩ ওভার। আর ৩০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চার ও ছক্কার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময় ৪২.৫ ও ৪৩.২ ওভার।
অন্যদিকে বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানের কাছে ৩৯ বা তার কম রানে হারে, তাহলে নেট রান রেটের হিসাবে ফাইনালে চলে যাবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। আবার বাংলাদেশ ২১৮ বা তার বেশি রানের ব্যবধানে জিতলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে আফগানরা। সেক্ষেত্রে ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। তবে ২১৬ রানের ব্যবধানে হারলেও ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা থাকবে আফগানিস্তানের।
অর্থাৎ বাংলাদেশের সামনে ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ বেশ কঠিন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় নয়, জয়ের ব্যবধান এবং রান তাড়ার গতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। আগামী ২৩ অক্টোবর শারজাহতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের ফাইনাল।

মতামত