প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের অভিষেক সেঞ্চুরিটাকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন নাঈম আহমেদ। কামরুল ইসলাম রাব্বীর বলে গ্ল্যান্স করে বাউন্ডারি পার করতেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন রাজশাহীর এই ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরিতেই ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন তাইবুর রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, তাওহিদ হৃদয় ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরির পরই ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৫৭ রান করে দিন শেষ করেছে তারা। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছে বরিশাল। ফলে এখন পর্যন্ত তাদের লিড মাত্র ২১ রানের।
বরিশালের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন জাওয়াদ আবরার। ৯৪ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করে আউট হন এই ওপেনার।
এদিকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আজিজুল হাকিম। পাঁচ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথম শতককে ১৪২ রানে নিয়ে গেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সিলেটে চট্টগ্রামের বিপক্ষে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৭ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
আগের দিন ১২ রান করে চোটের কারণে মাঠ ছেড়েছিলেন আজিজুল। ৬ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা খুলনা শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়েছে ৩২৩ রানে। দিনের বাকি ১৬২ রানের মধ্যে একাই ১৩০ রান করেছেন আজিজুল। নবম উইকেট পতনের পর সফর আলীকে নিয়ে শেষ উইকেটে ৬৭ রান যোগ করেন তিনি। এই জুটিতে সফর কোনো রান করতে পারেননি, আজিজুলের অবদান ৬৫ রান এবং অতিরিক্ত থেকে আসে ২ রান।
২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৭৪ রান। উদ্বোধনী জুটিতে মাহমুদুল হাসান ৬০ ও সাদিকুর রহমান ৭৬ রান করে ১২৯ রান যোগ করেন। তবে এরপর মাত্র ২৫ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। কনকাশন বদলি হিসেবে খেলতে নামা খুলনার বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে রংপুরের বিপক্ষে ২০৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে সিলেট। সারাদিন ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৩৫ রান তুলেছে তারা। অমিত হাসান ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
কক্সবাজারে ময়মনসিংহ ও ঢাকার মধ্যকার ম্যাচে ড্রয়ের সম্ভাবনাই বেশি। তৃতীয় দিন শেষেও ঢাকার দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শেষ হয়নি। ৯ উইকেটে ৩৪২ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে তারা, ময়মনসিংহের চেয়ে এখনো পিছিয়ে ৪৫ রানে। ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ নাঈম ১৩৫ এবং তাইবুর রহমান ৯৩ রান করেছেন। ময়মনসিংহের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন অধিনায়ক রাকিবুল হাসান।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের অভিষেক সেঞ্চুরিটাকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন নাঈম আহমেদ। কামরুল ইসলাম রাব্বীর বলে গ্ল্যান্স করে বাউন্ডারি পার করতেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন রাজশাহীর এই ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরিতেই ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন তাইবুর রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, তাওহিদ হৃদয় ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরির পরই ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৫৭ রান করে দিন শেষ করেছে তারা। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছে বরিশাল। ফলে এখন পর্যন্ত তাদের লিড মাত্র ২১ রানের।
বরিশালের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন জাওয়াদ আবরার। ৯৪ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করে আউট হন এই ওপেনার।
এদিকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আজিজুল হাকিম। পাঁচ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথম শতককে ১৪২ রানে নিয়ে গেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সিলেটে চট্টগ্রামের বিপক্ষে খুলনার দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৭ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
আগের দিন ১২ রান করে চোটের কারণে মাঠ ছেড়েছিলেন আজিজুল। ৬ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা খুলনা শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়েছে ৩২৩ রানে। দিনের বাকি ১৬২ রানের মধ্যে একাই ১৩০ রান করেছেন আজিজুল। নবম উইকেট পতনের পর সফর আলীকে নিয়ে শেষ উইকেটে ৬৭ রান যোগ করেন তিনি। এই জুটিতে সফর কোনো রান করতে পারেননি, আজিজুলের অবদান ৬৫ রান এবং অতিরিক্ত থেকে আসে ২ রান।
২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৭৪ রান। উদ্বোধনী জুটিতে মাহমুদুল হাসান ৬০ ও সাদিকুর রহমান ৭৬ রান করে ১২৯ রান যোগ করেন। তবে এরপর মাত্র ২৫ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। কনকাশন বদলি হিসেবে খেলতে নামা খুলনার বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে রংপুরের বিপক্ষে ২০৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে সিলেট। সারাদিন ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৩৫ রান তুলেছে তারা। অমিত হাসান ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
কক্সবাজারে ময়মনসিংহ ও ঢাকার মধ্যকার ম্যাচে ড্রয়ের সম্ভাবনাই বেশি। তৃতীয় দিন শেষেও ঢাকার দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শেষ হয়নি। ৯ উইকেটে ৩৪২ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে তারা, ময়মনসিংহের চেয়ে এখনো পিছিয়ে ৪৫ রানে। ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ নাঈম ১৩৫ এবং তাইবুর রহমান ৯৩ রান করেছেন। ময়মনসিংহের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন অধিনায়ক রাকিবুল হাসান।

মতামত