জিম্বাবুয়ের পর আফগানিস্তানের কাছেও হেরে হতাশার মধ্য দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছে দল। এমন পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ও হতাশ ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তার মতে, এশিয়া কাপ কিংবা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন সবার থাকলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রতিফলন নেই।
লিটন দাসের চোটের কারণে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া হৃদয়ের অধিনায়কত্বের অভিষেকটা সুখকর হয়নি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। ফলে বড় আসরে ভালো করার প্রত্যাশা আর মাঠের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিরোপা জয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে হৃদয় বলেন, 'আমরা যখনই কোনো বড় সিরিজ, ত্রিদেশীয় সিরিজ, এশিয়া কাপ কিংবা বিশ্বকাপ খেলি, তখন সবারই ইচ্ছা থাকে একটা ট্রফি জেতার। ব্যক্তিগতভাবে শুধু আমি নই, দলের প্রত্যেকের মধ্যেই সেই ক্ষুধা রয়েছে। কিন্তু আমরা মুখে যা বলি, মাঠে তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না।'
সামনেই ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ। এই টুর্নামেন্টকে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। তার মতে, এর আগে দলকে ভালো অবস্থানে ফিরিয়ে আনা জরুরি।
হৃদয় বলেন, 'ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ খেলা আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ। অন্য সবার মতো আমাদেরও প্রত্যাশা রয়েছে। যেভাবেই হোক, দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসতে হবে। এশিয়া কাপ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, আমরা ভালো কিছু করতে পারব, ইনশাআল্লাহ।'
তবে এশিয়া কাপের আগে ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিক ব্যর্থতা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে একই ভুল বারবার হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হৃদয়। ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, এটা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। তবে টপ অর্ডারের ব্যাটাররা দ্রুত উইকেট হারানোই মূল সমস্যা। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করব।'
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। জবাবে ৩৫.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েই জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। হৃদয়ের মতে, শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণেই প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো পুঁজি পাচ্ছে না দল।
ম্যাচে ৪০-৫০ রান বেশি করতে পারলে ফলাফল বদলাতে পারত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হৃদয় বলেন, '৪০-৫০ রান নয়, আমরা অন্তত ১০০ রান কম করেছি। উইকেটটি ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল। টপ অর্ডার থেকেই বড় ইনিংস আসতে হবে।'
বিষয় : ত্রিদেশীয় সিরিজ বাংলাদেশ ক্রিকেট

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
জিম্বাবুয়ের পর আফগানিস্তানের কাছেও হেরে হতাশার মধ্য দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছে দল। এমন পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ও হতাশ ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তার মতে, এশিয়া কাপ কিংবা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন সবার থাকলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রতিফলন নেই।
লিটন দাসের চোটের কারণে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া হৃদয়ের অধিনায়কত্বের অভিষেকটা সুখকর হয়নি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। ফলে বড় আসরে ভালো করার প্রত্যাশা আর মাঠের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শিরোপা জয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে হৃদয় বলেন, 'আমরা যখনই কোনো বড় সিরিজ, ত্রিদেশীয় সিরিজ, এশিয়া কাপ কিংবা বিশ্বকাপ খেলি, তখন সবারই ইচ্ছা থাকে একটা ট্রফি জেতার। ব্যক্তিগতভাবে শুধু আমি নই, দলের প্রত্যেকের মধ্যেই সেই ক্ষুধা রয়েছে। কিন্তু আমরা মুখে যা বলি, মাঠে তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না।'
সামনেই ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ। এই টুর্নামেন্টকে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। তার মতে, এর আগে দলকে ভালো অবস্থানে ফিরিয়ে আনা জরুরি।
হৃদয় বলেন, 'ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ খেলা আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ। অন্য সবার মতো আমাদেরও প্রত্যাশা রয়েছে। যেভাবেই হোক, দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসতে হবে। এশিয়া কাপ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, আমরা ভালো কিছু করতে পারব, ইনশাআল্লাহ।'
তবে এশিয়া কাপের আগে ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিক ব্যর্থতা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে একই ভুল বারবার হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হৃদয়। ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, এটা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। তবে টপ অর্ডারের ব্যাটাররা দ্রুত উইকেট হারানোই মূল সমস্যা। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করব।'
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। জবাবে ৩৫.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়েই জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। হৃদয়ের মতে, শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণেই প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো পুঁজি পাচ্ছে না দল।
ম্যাচে ৪০-৫০ রান বেশি করতে পারলে ফলাফল বদলাতে পারত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হৃদয় বলেন, '৪০-৫০ রান নয়, আমরা অন্তত ১০০ রান কম করেছি। উইকেটটি ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল। টপ অর্ডার থেকেই বড় ইনিংস আসতে হবে।'

মতামত