ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Sports Talk BD
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, কীভাবে কাজ করবে?

ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, কীভাবে কাজ করবে?

ক্রিকেটে ব্যাটে বলের সংযোগ হয়েছে কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রায়ই বিতর্ক দেখা যায়। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও এই বিতর্ক পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব হয়নি। এবার এমন সমস্যা সমাধানে ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রযুক্তিটি। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাটে বলের স্পর্শ লেগেছে কি না, সে বিষয়ে তৃতীয় আম্পায়ারকে বাড়তি তথ্য দেবে সনিক।

নিউজিল্যান্ডে তৈরি এই প্রযুক্তির পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

আজ শুরু হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ। এরপর দুই দলের মধ্যে পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুরো সিরিজেই সনিক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি।

ব্যাটে বলের আঘাতে তৈরি হওয়া শব্দ বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগের বিষয়টি শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার কিংবা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার সময় সেটি আম্পায়ারের চোখ এড়িয়ে গেলে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় সহায়ক হবে প্রযুক্তিটি।

ডিআরএসে কোনো সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হলে সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য কাজে লাগাতে পারবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে এটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে না। বরং সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাড়তি সহায়তা দেবে।

ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থার সঙ্গেই যুক্ত করা হয়েছে সনিক। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

তবে আপাতত ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই সনিক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দ্বিপক্ষীয় বা আন্তর্জাতিক সিরিজে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে হলে আইসিসির কাছ থেকে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, কীভাবে কাজ করবে?
0:00 0:00
1.0x
Sports Talk BD

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, কীভাবে কাজ করবে?

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ক্রিকেটে ব্যাটে বলের সংযোগ হয়েছে কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রায়ই বিতর্ক দেখা যায়। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও এই বিতর্ক পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব হয়নি। এবার এমন সমস্যা সমাধানে ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’।


ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রযুক্তিটি। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাটে বলের স্পর্শ লেগেছে কি না, সে বিষয়ে তৃতীয় আম্পায়ারকে বাড়তি তথ্য দেবে সনিক।


নিউজিল্যান্ডে তৈরি এই প্রযুক্তির পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।


আজ শুরু হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ। এরপর দুই দলের মধ্যে পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুরো সিরিজেই সনিক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি।


ব্যাটে বলের আঘাতে তৈরি হওয়া শব্দ বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগের বিষয়টি শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার কিংবা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার সময় সেটি আম্পায়ারের চোখ এড়িয়ে গেলে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় সহায়ক হবে প্রযুক্তিটি।


ডিআরএসে কোনো সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হলে সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য কাজে লাগাতে পারবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে এটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে না। বরং সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাড়তি সহায়তা দেবে।


ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থার সঙ্গেই যুক্ত করা হয়েছে সনিক। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।


তবে আপাতত ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই সনিক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দ্বিপক্ষীয় বা আন্তর্জাতিক সিরিজে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে হলে আইসিসির কাছ থেকে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে।


Sports Talk BD


কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত Sports Talk BD