ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Sports Talk BD
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ওয়ানডে অভিষেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন, পরীক্ষার মুখে আলিস

ওয়ানডে অভিষেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন, পরীক্ষার মুখে আলিস

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হারের দিন দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ। জাতীয় দলের হয়ে ওয়ানডে অভিষেক হওয়া স্পিনার আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। অভিষেক ম্যাচেই অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে পড়েছেন এই স্পিনার।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটি জানায়, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে আলিসের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, এবার স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হবে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ৮.৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৭ রান খরচ করেন আলিস। তবে কোনো উইকেটের দেখা পাননি তিনি। সেই ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ।

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আলিসের বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নের মুখে পড়ল। এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ২০১৯ সালে অভিষেক মৌসুমে প্রথমবার এবং ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল।


সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কী?

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বোলিংয়ের সময় বল ছাড়ার আগে বোলারের কনুই সোজা করার মাত্রা ১৫ ডিগ্রির বেশি হলে সেটিকে অবৈধ বোলিং অ্যাকশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ, কনুইয়ের প্রসারণ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলেই অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি তোলার সুযোগ রয়েছে।

ম্যাচ চলাকালে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিজেদের পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কোনো বোলারের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে করলে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেন। এরপর আইসিসির অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই বোলারের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করা থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট বোলার। তবে নিজের বোলিং অ্যাকশন সংশোধন করে পুনরায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বল করার অনুমতি পাবেন তিনি।

বিষয় : আফগানিস্তান ক্রিকেট দল ক্রিকেট বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ওয়ানডে অভিষেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন, পরীক্ষার মুখে আলিস
0:00 0:00
1.0x
Sports Talk BD

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


ওয়ানডে অভিষেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন, পরীক্ষার মুখে আলিস

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হারের দিন দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ। জাতীয় দলের হয়ে ওয়ানডে অভিষেক হওয়া স্পিনার আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। অভিষেক ম্যাচেই অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে পড়েছেন এই স্পিনার।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটি জানায়, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে আলিসের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, এবার স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হবে।


আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ৮.৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৭ রান খরচ করেন আলিস। তবে কোনো উইকেটের দেখা পাননি তিনি। সেই ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে যায় বাংলাদেশ।


এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আলিসের বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নের মুখে পড়ল। এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ২০১৯ সালে অভিষেক মৌসুমে প্রথমবার এবং ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল।


সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কী?


আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বোলিংয়ের সময় বল ছাড়ার আগে বোলারের কনুই সোজা করার মাত্রা ১৫ ডিগ্রির বেশি হলে সেটিকে অবৈধ বোলিং অ্যাকশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ, কনুইয়ের প্রসারণ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলেই অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি তোলার সুযোগ রয়েছে।


ম্যাচ চলাকালে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিজেদের পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কোনো বোলারের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে করলে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেন। এরপর আইসিসির অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই বোলারের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয়।


পরীক্ষায় অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করা থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন সংশ্লিষ্ট বোলার। তবে নিজের বোলিং অ্যাকশন সংশোধন করে পুনরায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বল করার অনুমতি পাবেন তিনি।


Sports Talk BD


কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত Sports Talk BD